পরিক্ষার সাজেশন,লাইভ পরিক্ষা,প্রতিদিন পরিক্ষা,সাপ্তাহিক পরিক্ষা সবই একই সাথে
বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হয়?
- বিসিএস
-৪১তম
বিশ্ব ব্যাংকের Budgetary Support- এর মাধ্যমে
IMFএর Bailout package-এর মাধ্যমে
প্রবাসীদের পাঠানো Remittance এর মাধ্যমে
IDA credit-এর মাধ্যমে
ব্যাখা:বাণিজ্য ভারসাম্য (Balance of Trade) হচ্ছে কোন দেশের অর্থনীতির একটি নির্দিষ্ট সময়ের মোট রপ্তানি ও মোট আমদানির আর্থিক মূল্যের পার্থক্য। একে নীট রপ্তানিও বলা হয়ে থাকে। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি দেশের আমদানি ও রপ্তানির মধ্যকার সম্পর্ক। ইতিবাচক ভারসাম্যকে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বলে যখন আমদানির থেকে রপ্তানি বেশি হয়; নেতিবাচক ভারসামকে বলা হয় বাণিজ্য ঘাটতি যা রপ্তানির থেকে আমদানি বেশি হলে। হয়। বাণিজ্য ভারসাম্যকে অনেক সময় পণ্য ও সেবার ভারসাম্য এ দুই ভাগে ভাগ করা হয়। আসুন এখানে একটি উদাহরণ নেওয়া যাক। মনে করুন যে ২০২০ সালে বাংলাদেশ ১০০ টাকার পণ্য ও পরিষেবাদি আমদানি করেছে। তবে, একই বছরে রফতানি করেছে ৫০ টাকা। এইভাবে, বাণিজ্য ভারসাম্য হবে - ৫০ টাকা। অর্থাৎ দেশটি বাণিজ্য ঘাটতির সম্মুখীন হবে। IMF - এর Bailout package - এর বেইল আউট হলো দেনার দায়ে বা মূলধন সংকটে পড়ে দেউলিয়া হওয়ার পথে কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের তরফে আর্থিক সহায়তা করা। তবে রাষ্ট্রকেও অনেক সময় জাতীয় ব্যয় নির্বাহে বেইল আউটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অর্থ ও অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা নেওয়ার নজির রয়েছে। আর বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে প্রবাসীদের পাঠানো Remittance এবং অন্যান্য উৎস থেকে আসা বৈদেশিক মুদ্রা।